শামীম,১৯ মে, ২০২৬ (বিবিনিউজ) :ঢাকার ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। অবসান ঘটতে যাচ্ছে জরাজীর্ণ ভবনে প্রাথমিক শিক্ষা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি। ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও কুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলাধীন কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ ও কুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলজিইডি-র “ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়)”-এর আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর , ধামরাই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
আজ মঙ্গলবার বিকালে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ধামরাই-২০ (ঢাকা-১৯৩) আসনের ম সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মো: তমিজ উদ্দিন।
দীর্ঘদিন পর কাঙ্ক্ষিত এই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ভবনের কাজ শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, ধামরাই উপজেলা প্রকৌশলী মিশুক কুমার দত্ত এবং কল্লা ইউনিয়নের প্রশাসক জোহরা বাসার পলি। এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মুহাম্মদ মোবাখখারুল ইসলাম মিজান প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় শিক্ষক,সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি বলেন-সরকার এক ছাদের নীচে বসে অনেক গুলো কাজ করতে চায়। আজ কুল্লা ইউনিয়নের প্রায় সারে ৩ কোটি টাকার প্রকল্পের বিল্ডিংয়ের কাজের উদ্বোধন হলো। বাকী আরো কয়েটি ইউনিয়নের বিল্ডিংয়ের অবস্থাও জরাজীর্ণ। সেই অবহেলিত বিল্ডিংয়ের কাজও ধারা বাহিক ভাবে হবে। তিনি জনপ্রতিনিধি চেয়ারম্যান,মেম্বার ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাদক এবং চাঁদাবাজীদেও সনাক্ত করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার নির্দেশ দেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী ভাবধারার ধারাবাহিকতায় এই প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আধুনিক প্রশাসনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত হতে যাচ্ছে। নতুন এই ভবন দুটি সম্পন্ন হলে অত্র এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ এক ছাদের নিচে সহজে সরকারি সকল সেবা পাবেন।
ডিজিটাল ও আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং তৃণমূলের মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এই প্রকল্প একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
